আজ ঐতিহাসিক ৭ মার্চ। বাঙালি জাতির স্বাধীনতা সংগ্রাম ও মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে এই দিনটি অনন্য। ১৯৭১ সালের এই দিনে ঐতিহাসিক রেসকোর্স ময়দানে (বর্তমানে সোহরাওয়ার্দী উদ্যান) বিশাল জনসমুদ্রে দাঁড়িয়ে এক ঐতিহাসিক ভাষণ দিয়েছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।
রাজধানী ঢাকার ধানমন্ডি ৩২সহ সারা দেশে সংঘটিত ভাঙচুর ও সহিংসতায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)। একইসঙ্গে সহিংসতা প্রতিরোধে দায়সারা বিবৃতির পরিবর্তে সরকারকে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছে দুর্নীতিবিরোধী সংস্থাটি।
বিবৃতি বলা হয়েছে, বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকায় একদল উচ্ছৃঙ্খল জনতা ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পারিবারিক বাড়ি ভেঙে দিয়েছে। তাঁর কিছু আত্মীয়স্বজনের মালিকানাধীন সম্পত্তি ধ্বংস করেছে। তাঁর দলের কিছু নেতার ঘরবাড়িও নিশানা করা হয়েছে।
রাজধানী ঢাকার ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের বাড়ি গুঁড়িয়ে দেওয়ার ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ, নিন্দা ও প্রতিবাদ করেছেন দেশের বিশিষ্ট ২৬ নাগরিক। এক বিবৃতিতে তারা বলেন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সম্পূর্ণ জ্ঞাতসারে নির্মমতার সঙ্গে বাড়িটি ধ্বংস করা হয়েছে।
বুধবার রাত ৮টার দিকে একদল বিক্ষোভকারী বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের বাড়ির ফটক ভেঙে ভেতরে ঢুকে ভাঙচুর শুরু করে। তারা বাড়ির সামনে শেখ মুজিবুর রহমানের ম্যুরালও ভাঙচুর করে। এর পর থেকেই সেখানে ভাঙচুর চলছে।
রাজধানী ঢাকার ধানমণ্ডি ৩২ নম্বরে অবস্থিত বঙ্গবন্ধু ভবনের গেট ভেঙে প্রবেশ করে ব্যাপক ভাঙচুর চালাচ্ছে একদল বিক্ষুব্ধ ছাত্র–জনতা।
বাংলাদেশের ইতিহাসে শ্রেষ্ঠ ঘটনা ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ। গৌরবোজ্জ্বল মুক্তিযুদ্ধে চূড়ান্ত বিজয় আসে এই মাসে। ১৬ ডিসেম্বর ভারত ও বাংলাদেশের বাহিনীর সমন্বয়ে গঠিত যৌথ বাহিনীর নেতৃত্বের কাছে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর আত্মসমর্পণের মাধ্যমে পূর্ণতা পায় আমাদের চূড়ান্ত বিজয় ও ম্বাধীনতা।
বিজয়ের মাসে ফিরে দেখি ৮ ডিসেম্বর ১৯৭১-এর গৌরবময় ইতিহাস। জানুন সেই দিনের বীরত্বের কাহিনি এবং আমাদের মুক্তিযুদ্ধের অমর গৌরব।
বাংলাদেশের ইতিহাসে শ্রেষ্ঠ ঘটনা ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ। গৌরবোজ্জ্বল মুক্তিযুদ্ধে চূড়ান্ত বিজয় আসে এই মাসে। ১৬ ডিসেম্বর ভারত ও বাংলাদেশের বাহিনীর সমন্বয়ে গঠিত যৌথ বাহিনীর নেতৃত্বের কাছে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর আত্মসমর্পণের মাধ্যমে পূর্ণতা পায় আমাদের চূড়ান্ত বিজয় ও ম্বাধীনতা।
তিনি বলেন, ফ্যাসিস্টকে ভোটের মাধ্যমে চরমভাবে পরাজিত করতে হবে। অন্য কোনোভাবে সেটা করতে গেলে তা সুফল বয়ে আনবে না।
বঙ্গভবন থেকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ছবি সরানো নিয়ে দেওয়া বক্তব্যের জন্য দুঃখ প্রকাশ করেছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।
বঙ্গভবন থেকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ছবি সরানো উচিত হয়নি বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।